মনোনয়ন পেয়ে উচ্ছ্বসিত অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান: কেন ‘ফজু পাগলা’ নামটিই তাঁর সবচেয়ে ভালো লাগে?

 কিশোরগঞ্জ–৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম) আসনে বিএনপি থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। তিনি দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক উপদেষ্টা। তবে রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে আলোচনায় উঠে আসে একটি উপাধি— ‘ফজু পাগলা’। ধর্মীয় বক্তা মুফতি আমির হামজা ও মাওলানা আজহারীর মুখে প্রথম শোনা এই নাম এখন গর্বের সঙ্গে গ্রহণ করেছেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। তিনি মনে করেন, তাঁর নিজ এলাকার পাগলা মসজিদের মতোই এই উপাধি শক্তি, সম্পদ ও মানুষের ভালোবাসার প্রতীক। নির্বাচনী মাঠে ইতোমধ্যে এই উপাধি তাঁকে আলাদা আলোচনায় এনেছে। তৃণমূল নেতা-কর্মীরা তাঁর প্রতি আস্থা রাখছেন এবং নির্বাচন ঘিরে তাঁর জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন আগ্রহ তৈরি হয়েছে। 

 

মনোনয়ন পেয়ে উচ্ছ্বসিত অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান: কেন ‘ফজু পাগলা’ নামটিই তাঁর সবচেয়ে ভালো লাগে?


 

বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেক নেতাই আছেন, যাদের সম্পর্কে মানুষের কৌতূহল সবসময় উঁচুতে থাকে। তাঁদের মধ্যে একজন অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান— বর্ষীয়ান নেতা, জাতীয় রাজনীতির পরিচিত মুখ এবং বিএনপির মহাসচিবের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী। কিশোরগঞ্জ–৪ আসনে এবার দলের সিদ্ধান্তেই মনোনীত হয়েছেন তিনি। সামনে জাতীয় নির্বাচন, তাই শুরু হয়েছে টানটান উত্তেজনা, মাঠে নেমেছে দলীয় নেতা–কর্মীরা।

কিন্তু রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়াও একটি বিষয় এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ আলোচনায়— তাঁর উপাধি ‘ফজু পাগলা’। বিষয়টি নিয়ে নিজেই বেশ আনন্দিত হয়ে কথা বলেছেন তিনি।


✅ ‘ফজু পাগলা’ নাম নিয়ে তাঁর আনন্দ কোথায়?

সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন—

“মুফতি আমির হামজা, মাওলানা আজহারী আমাকে ‘ফজু পাগলা’ ডাকে— আমি তাঁদের ধন্যবাদ জানাই। কারণ উপাধিটি খুব সুন্দর। কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের মতোই এই নাম মানুষকে ভালোবাসার বার্তা দেয়।”

তিনি আরও বলেন—

“পাগলা মসজিদ দেশে সবচেয়ে বেশি দান পায়। মানুষ সোনা দেয়, টাকা দেয়, বিদেশি মুদ্রা দেয়— যার পরিমাণ বায়তুল মোকাররমেও নাই! তাই পাগলা নামটি গর্বের।”

তাঁর মতে—

✅ পাগলা মানে মেহনতি
✅ পাগলা মানে মানুষের প্রিয়
✅ পাগলা মানে ঈমানী শক্তি

সেই কারণেই তিনি বলছেন—

“কিশোরগঞ্জে যদি পাগলা মসজিদ থাকতে পারে, তবে কিশোরগঞ্জে ফজু পাগলাও যথেষ্ট শক্তিশালী হবে!”


✅ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনপ্রিয়তা কি বেড়েছে?

ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরেই মানুষের পাশে থেকেছেন তিনি। বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করেন:

  • দলের প্রতি তাঁর আনুগত্য প্রমাণিত

  • সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ গভীর

  • তৃণমূলের দাবি— “ফজু পাগলাই আমাদের নেতা”

স্থানীয় ভোটাররা বলেন—

“লোকটা সাদামাটা জীবনযাপন করেন, জনগণের সুখে–দুঃখে পাশে থাকেন। তিনি আমাদের এলাকার পরিচয়।”

এবারের নির্বাচনকে ঘিরে তাঁর প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ আরও বেড়ে গেছে।


✅ কেন তিনি আলোচনায়?

কারণব্যাখ্যা
জনপ্রিয় উপাধি‘ফজু পাগলা’ নাম এখন ভাইরাল
ইসলামী বক্তাদের মাধ্যমে পরিচিতিতাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে তাঁর নাম
কিশোরগঞ্জের আলোচিত অঞ্চলপাগলা মসজিদ কেন্দ্রিক তুলনা
বিএনপির শক্ত ঘাঁটিস্থানীয়ভাবে তাঁর সমর্থন শক্তিশালী

✅ বার্তা জনগণের উদ্দেশে…

তিনি বিশ্বাস করেন— মানুষের ভালোবাসাই একজন নেতার সবচেয়ে বড় শক্তি। নির্বাচনের মাঠে নামার আগেই তিনি বার্তা দিয়েছেন:

“আমি মানুষের জন্য রাজনীতি করি। আমার অস্তিত্ব জনগণের মাঝে। এই এলাকার উন্নয়নই আমার প্রথম প্রতিশ্রুতি।”


✅ নির্বাচনের যুদ্ধ শুরু

মাঠে এখন:

🔥 কর্মীদের স্লোগান
🔥 সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারণা
🔥 প্রতিপক্ষের নজর
🔥 আলোচনায় নতুন ধারা

‘ফজু পাগলা’ নাম এখন বিএনপির নির্বাচনী গণজোয়ারে নতুন এনার্জি হিসেবে কাজ করছে। ফলে কিশোরগঞ্জ–৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে জমজমাট— এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।


নবীনতর পূর্বতন

যোগাযোগ ফর্ম