প্রেসক্লাব কমিটিতে দলীয় পদধারীদের নিষেধাজ্ঞা চান সারজিস আলম

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম জানিয়েছেন—কোনও রাজনৈতিক দলের পদধারী ব্যক্তি প্রেসক্লাবের সভাপতি, সেক্রেটারি বা কার্যনির্বাহী কমিটির পদে থাকতে পারবে না। শনিবার তার যাচাইকৃত ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, দলীয় পরিচয়ধারী ব্যক্তিরা সাংবাদিকতা পেশাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেন এবং প্রকৃত সাংবাদিকদের সম্মানহানি ঘটান। তিনি মনে করেন, প্রেসক্লাবকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে কঠোর নীতি প্রয়োগ জরুরি। অন্যথায় অপেশাদার ও দলীয় সাংবাদিকতার মাধ্যমে গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা ঝুঁকির মুখে পড়বে। 

 

প্রেসক্লাব কমিটিতে দলীয় পদধারীদের নিষেধাজ্ঞা চান সারজিস আলম


 

 বাংলাদেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনে পেশাদারিত্ব, স্বাধীনতা এবং নিরপেক্ষতা নিয়ে যখন বিভিন্ন আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম প্রেসক্লাবের গঠনপ্রণালী নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। শনিবার (১৫ নভেম্বর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন—কোনও রাজনৈতিক দলের পদধারী ব্যক্তি কেন্দ্রীয় বা জেলা পর্যায়ের প্রেসক্লাবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বা কার্যনির্বাহী কমিটির কোনো পদে থাকতে পারবেন না।

তার মতে, প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের পেশাগত সংগঠন, যার নেতৃত্ব অবশ্যই দলীয় প্রভাবমুক্ত হওয়া উচিত। পোস্টে তিনি লিখেছেন, “কোন রাজনৈতিক দলের পদধারী কেউ প্রেসক্লাবের সভাপতি, সেক্রেটারি থেকে শুরু করে কার্যনির্বাহী কমিটির কোনো পদে থাকতে পারবে না। এই শর্তে প্রেসক্লাবের কমিটিগুলো গঠন করা উচিত।”

তিনি সতর্ক করে বলেন, রাজনৈতিক দলের পদে থাকা ব্যক্তিরা যখন নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দেন, তখন সাংবাদিকতার নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়ে। সারজিস আলমের ভাষায়, “অন্যথায় সাংবাদিকতার নামে দলীয় সাংবাদিকতা কিংবা অপসংবাদিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে। অপেশাদার, দলীয়, তোষামোদকারী তথাকথিত সাংবাদিকরা প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকদের সম্মানহানির কারণ হবে।”

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন প্রেসক্লাবে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা নেতৃত্বে আছেন বলে অনেকে অভিযোগ করে আসছেন। এসব অভিযোগের কারণে সাংবাদিকদের সংগঠনগুলোতে বিরোধ, দ্বন্দ্ব এবং পেশাগত মান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সারজিস আলমের বক্তব্য সেই আলোচনাকে আরও সামনে নিয়ে এল।

তিনি আরও বলেন, “যারা নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়ের পূর্বে কোন নির্দিষ্ট দলের পদধারী নেতা হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দবোধ করে—তারা আর যাই হোক, সাংবাদিকদের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না।” তার মতে, সাংবাদিকতার স্বার্থ রক্ষা করতে হলে প্রেসক্লাবকে প্রথমে দলীয় প্রভাবমুক্ত করতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, সারজিস আলমের এই বক্তব্য শুধু তার দলের অবস্থান নয়—বরং সাংবাদিকতা অঙ্গনের বহু পেশাদার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। সাংবাদিকতার নৈতিকতা রক্ষা করতে হলে সাংবাদিকদের সংগঠনগুলোতে দলীয় প্রভাব কমানোই হবে টেকসই সমাধান।

এনসিপি নেতার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক সাংবাদিক তার বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন, আবার কেউ কেউ বলেছেন—এই নীতির বাস্তবায়নের জন্য আইনি কাঠামো এবং প্রেসক্লাবের নিজস্ব বিধিমালা সংশোধন করা প্রয়োজন।

সারজিস আলমের মতে, গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ, এবং সে কারণে প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে পেশাদার, অভিজ্ঞ ও রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োজিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, “সাংবাদিক সমাজকে পুনরায় বিশ্বাসযোগ্যতার জায়গায় দাঁড় করাতে হলে দলীয় পরিচয়ধারী নেতাদের নেতৃত্ব থেকে দূরে রাখতে হবে।”

তার এই বক্তব্য ভবিষ্যতে প্রেসক্লাব গঠনের নীতিমালায় কোনো পরিবর্তন আনে কিনা—সেটিই এখন দেখার বিষয়।

বাংলাদেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনে পেশাদারিত্ব, স্বাধীনতা এবং নিরপেক্ষতা নিয়ে যখন বিভিন্ন আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম প্রেসক্লাবের গঠনপ্রণালী নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। শনিবার (১৫ নভেম্বর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন—কোনও রাজনৈতিক দলের পদধারী ব্যক্তি কেন্দ্রীয় বা জেলা পর্যায়ের প্রেসক্লাবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বা কার্যনির্বাহী কমিটির কোনো পদে থাকতে পারবেন না।

তার মতে, প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের পেশাগত সংগঠন, যার নেতৃত্ব অবশ্যই দলীয় প্রভাবমুক্ত হওয়া উচিত। পোস্টে তিনি লিখেছেন, “কোন রাজনৈতিক দলের পদধারী কেউ প্রেসক্লাবের সভাপতি, সেক্রেটারি থেকে শুরু করে কার্যনির্বাহী কমিটির কোনো পদে থাকতে পারবে না। এই শর্তে প্রেসক্লাবের কমিটিগুলো গঠন করা উচিত।”

তিনি সতর্ক করে বলেন, রাজনৈতিক দলের পদে থাকা ব্যক্তিরা যখন নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দেন, তখন সাংবাদিকতার নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়ে। সারজিস আলমের ভাষায়, “অন্যথায় সাংবাদিকতার নামে দলীয় সাংবাদিকতা কিংবা অপসংবাদিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে। অপেশাদার, দলীয়, তোষামোদকারী তথাকথিত সাংবাদিকরা প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকদের সম্মানহানির কারণ হবে।”

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন প্রেসক্লাবে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা নেতৃত্বে আছেন বলে অনেকে অভিযোগ করে আসছেন। এসব অভিযোগের কারণে সাংবাদিকদের সংগঠনগুলোতে বিরোধ, দ্বন্দ্ব এবং পেশাগত মান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সারজিস আলমের বক্তব্য সেই আলোচনাকে আরও সামনে নিয়ে এল। 

আরও পড়ুন সরকার পতনে যুক্তরাষ্ট্র জড়িত নয়’—সিএনএন–নিউজ এইটিনকে শেখ হাসিনা

তিনি আরও বলেন, “যারা নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়ের পূর্বে কোন নির্দিষ্ট দলের পদধারী নেতা হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দবোধ করে—তারা আর যাই হোক, সাংবাদিকদের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না।” তার মতে, সাংবাদিকতার স্বার্থ রক্ষা করতে হলে প্রেসক্লাবকে প্রথমে দলীয় প্রভাবমুক্ত করতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, সারজিস আলমের এই বক্তব্য শুধু তার দলের অবস্থান নয়—বরং সাংবাদিকতা অঙ্গনের বহু পেশাদার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। সাংবাদিকতার নৈতিকতা রক্ষা করতে হলে সাংবাদিকদের সংগঠনগুলোতে দলীয় প্রভাব কমানোই হবে টেকসই সমাধান।

এনসিপি নেতার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক সাংবাদিক তার বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন, আবার কেউ কেউ বলেছেন—এই নীতির বাস্তবায়নের জন্য আইনি কাঠামো এবং প্রেসক্লাবের নিজস্ব বিধিমালা সংশোধন করা প্রয়োজন।  

আরও পড়ুন  মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আলোচনায় শেখ হাসিনা: বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য 

সারজিস আলমের মতে, গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ, এবং সে কারণে প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে পেশাদার, অভিজ্ঞ ও রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োজিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, “সাংবাদিক সমাজকে পুনরায় বিশ্বাসযোগ্যতার জায়গায় দাঁড় করাতে হলে দলীয় পরিচয়ধারী নেতাদের নেতৃত্ব থেকে দূরে রাখতে হবে।”

তার এই বক্তব্য ভবিষ্যতে প্রেসক্লাব গঠনের নীতিমালায় কোনো পরিবর্তন আনে কিনা—সেটিই এখন দেখার বিষয়।

নবীনতর পূর্বতন

যোগাযোগ ফর্ম